DEKHO BANGLA, SUKHARIA

WhatsApp Image    at
WhatsApp Image    at
WhatsApp Image    at
WhatsApp Image    at
red creced pochard chupi scaled
SUKURIA ANANDAMOYE KALI TEMPLE scaled
SUKURIA SOBUJDEEP scaled
DEBIPUR TEMPLE scaled
WhatsApp Image    at WhatsApp Image    at WhatsApp Image    at WhatsApp Image    at red creced pochard chupi scaled SUKURIA ANANDAMOYE KALI TEMPLE scaled SUKURIA SOBUJDEEP scaled DEBIPUR TEMPLE scaled

An enjoyable weekend trip in Sukharia

দীর্ঘদিন তো লকডাউন কাটালেন। কোভিড-১৯ ভীতি কাটিয়ে, উইকএন্ড এলেই মন উরু উরু? হাতে অল্প ছুটি? সাধ ও সাধ্যের মধ্যে বেড়ানোর জন্য অল্পচেনা গন্তব্য খুঁজছেন? একে ওকে ফোন অথবা নেট ঘেঁটে ঘ? তাই ঘুরে ফিরে সেই, দীপুদা? মানে, দীঘা-পুরী-দার্জিলিং? তাহলে যাবেন কোথায়? কে দেবে তার সন্ধান?

সন্ধান দেবে দেখো বাংলা, বাংলার মনের আয়না

সোনার বাংলার আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা ঐতিহ্যের সন্ধান দেবে দেখো বাংলা। কলকাতা থেকে গাড়িতে দেখে নেব, চেনা বাংলার অল্পচেনা রূপ।

৩ দিন ২ রাতে অচেনা শুখারিয়া

বাংলার পর্যটন মানচিত্রে শুখারিয়ার নাম, অনেকেই শোনেননি। কলকাতা থেকে মাত্র ৭৫ কিমি দূরে অখ্যাত গ্রামঠিকানা হুগলীর জেলার শুখারিয়া গ্রাম।

১ম দিন:- কলকাতা থেকে ভোরে ব্যারাকপুর-কল্যাণী এক্সপ্রেস হাইওয়ে ধরে ঈশ্বরগুপ্ত সেতু পেরিয়ে হংসেশ্বরি মন্দির দেখে নিন। এরপর কালনা রোড ধরে চলে আসুন,শুখারিয়া। ভাগীরথীর গা ঘেঁষা এক সুন্দর টুরিস্ট পয়েন্টে রাত্রিবাস। লাঞ্চ সেরে বেড়িয়ে পড়ুন।শুখারিয়াকে দেখে নেব।

প্রথমেই মা আনন্দময়ীর মন্দির। সুপ্রাচীন মন্দিরটি ১৮১০ সালে তৈরি, নাগারা শৈলীর টেরাকোটায় সমৃদ্ধ। ২৫ চুড়োর বারোচালার। মিথ বলছে, এই মন্দির দেখে অনুপ্রাণিত হন রাণি রাসমণি। দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরটি এই আদলে তৈরি করেন।

দেখে নেব, নিস্তারিণী কালী মন্দির। নবরত্ন মন্দির। এর বিশেষত্ব মন্দিরটি পশ্চিমদুয়ারি।

দেখে নেব, হরসুন্দরী কালিকা মন্দির।

দেখে নেব, বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার দেওয়ান, রায় রায়ান রাজা রামচন্দ্র রায়ের ভগ্ন প্রাসাদ।

বিকেলে ফিরে এসে টুরিস্ট পয়েন্টের ছাদে বসে কফি/ পকোড়া খেতে খেতে ভাগীরথীর সাথে একান্তে সময় কাটান।

২য় দিন:- ফেরিঘাটে বিস্তীর্ণ ভাগীরথী নদী বয়ে চলেছে। নৌকায় চড়ে চলে যাব সঙ্গমস্থলে। এখানেই বেহুলা নদীতে মিশেছে ভাগীরথী। কাছেই সবুজদ্বীপ।

ফিরে এসে ব্রেকফাস্ট সেরে চলে যাব, গুপ্তিপাড়া। এই গুপ্তিপাড়ায় রাজা রামমোহন রায়ের সঙ্গীত শিক্ষাগুরু ‘কালী মির্জা,বিখ্যাত কবিয়াল ভোলা ময়রা, বিজ্ঞানী ইন্দুমাধব মল্লিক ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতি মোহন লালের জন্মস্থান। ১১৬৬ সালে এই গ্রামেই বাংলার প্রথম বারোয়ারি জগধাত্রী পুজোর প্রচলন হয়। দেখে নিন, দেশকালীমাতার মন্দির।

For any query you can contact with us

গুপ্তিপাড়ার মঠ:-

সুন্দর পোড়ামাটির কাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম শ্রেষ্ঠ টেরাকোটার মন্দির। মঠের অন্দরমহলে রয়েছে, বৃন্দাবনচন্দ্রের মন্দির। চারশো বছরের প্রাচীন এই মন্দিরের প্রধান উৎসব রথযাত্রা।

দেখে নেব, সেন বাড়ির ঠাকুরদালান।

দেখে নেব, কৃষ্ণচন্দ্রের মন্দির ও চৈতন্যদেবের মন্দির। এখানেই নিরামিষ লাঞ্চ। শেষপাতে অবশ্যই গুঁফো সন্দেশ বা মাখা সন্দেশ দিয়ে মিষ্টিমুখ।

দেখে নেব, বাংলার আরও এক হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে।পড়ন্ত বিকেলের আলোয় শ্রীপুরের গঙ্গার চরে, গাছতলায় বাগানে সারি সারি ছুতোরের কারখানা। তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের নৌকা। অসাধারণ সূর্যাস্ত দেখে ফিরে আসব, শুখারিয়ায়।

৩য় দিন :- ব্রেকফাস্ট সেরে বিদায় জানাব, শুখারিয়াকে। ফিরতি পথে দেখে নেব, ১৫৯৯ সালে নির্মিত বাংলার প্রাচীনতম চার্চ, বিখ্যাত ব্যান্ডেল চার্চ।১৮৪১ সালে শুরু হয় আর শেষ হয় ১৮৬১ সালে। প্রায় ২,১৭,৪১৩.০০ টাকা ব্যয়ে দীর্ঘ ২০ বছর প্রচেষ্টার পর ইমামবাড়া তৈরি হয়। অসাধারণ ইসলামিক স্থাপত্য ও শিল্পের নিদর্শন ইমামবাড়া দেখে কলকাতায় ফিরে আসব।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:-

শুখারিয়া:- কলকাতার কাছেই আরো এক অল্পচেনা জনপদ। সোমড়া বাজারের নাম অনেকেই শুনেছেন। শান্ত, নিরিবিলি গ্রাম্য ছাপ এখনো যায়নি। কিছুদূর গেলেই দেখা মিলবে আনন্দময়ি কালী মন্দিরের। সুপ্রাচীন মন্দিরটী টেরাকোটার কাজ ১৮১০ সালে তৈরি নাগারা শৈলীর টেরাকোটায় সমৃদ্ধ অনিন্দ্যসুন্দর ২৫ চুড়োর বারোচালার আনন্দময়ী মন্দিরটি দেখে নেওয়া যায়। মিথ বলছে, এই মন্দির দেখেই রাণি রাসমণি নৌকায় চলেছিলেন তার গন্তব্য। হঠাৎ নদীর পাড়ের সুন্দর এক মন্দির দেখে তিনি তৎক্ষনাৎ তার নৌকাকে ঘাটে ভেড়াতে বলেন। তারপর বেশকয়েকদিন এই শুখারিয়াতে কাটান।ভক্তিপ্রানা রানী রাসমনি মনস্থির করেন, তার  দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরটি এই আনন্দময়ি মায়ের মন্দিরের আদলেই গড়বেন।শুখারিয়ার এই মন্দিরটির সাথে দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের বেশ মিল আছে।

 চলে আসুন, ফেরিঘাটে বিস্তীর্ণ ভাগীরথী নদী  বয়ে চলেছে। নৌকা ভাড়া করে চলে আসুন সঙ্গমস্থলে। এখানেই বেহুলা নদীতে মিশেছে ভাগীরথী। আবার কাছেই সবুজদ্বীপ।

 বাংলার রথযাত্রায় মাহেশের পরেই গুপ্তিপাড়ার রথের বেশ প্রাচিন।বলাগড় থানার অন্তর্গত গুপ্তিপাড়ার দক্ষিনে বর্ধিষ্ণু জনপদ সোমড়ায় ১৭৫৫ সালের নবরত্ন মন্দিরটি বিধ্বস্ত আর জঙ্গলাকীর্ণ হলেও দেবী রয়েছেন সিংহবাহিনী জগদ্ধাত্রী। আর আছে ১৭৬৫ সালের পিরামিডধর্মী পঞ্চরত্ন মন্দিরে শ্রী শ্রী মহাবিদ্যা, গড় বেষ্টিত সুখাড়িয়ার প্রাসাদোপম বিশাল প্রাসাদটিও আজ ভগ্নস্তুপে পর্যবসিত। নিস্তারিণী কালীমন্দির, হরসুন্দরি মন্দির দেখে নিতে নিন।

BOOK YOUR TRIP TO SUKHARIA

 

READ THE SAME IN ENGLISH

An enjoyable weekend trip in Sukharia

2 Nights 3 Days Sukharia Tour 

Months in Lockdown to beat the Pandemic. Now is the time to break the monotony of captivity to which you have resigned. This is the time  to renew the weekend  in vast expense of  a refreshed nature within your means.

Let you explore in your backyard with “DEKHO BANGLA”, the mirror of incredible Bengal .DEKHO BANGLA is a unit of Travelites Tours and Travels.We will take you to the hotspots where the bouquet of  tradition and lost stories will take us back to centuries. We will explore the little known heritage of Bengal in our three day/ 2 night sojourn at Sukharia from Kolkata by car.

Sukharia! May be you have not heard about this destination before. A quaint village in Hooghly District, just 75 kilometer from Kolkata, where we will reach by Car. Our itinerary is designed like this.

1st day :- we will leave Kolkata in the early morning. We will drive along Barackpur-Kalyani Expressway, take a turn via Iswar Gupta Bridge and start with a visit to historic Hanseswari Temple at Bansberia. After paying our reverence to the deity and enjoying its architecture, We will reach Shukharia via Kalna Road. A beautiful lodge in the Riverside  is waiting to welcome us.Time is for Lunch and Rest. But we will not remain in the internment of rest for long. In the backdrop of setting sun, We will explore Sukharia.

Our first point of visit will be Ma Anadamoyee Temple. This temple was built in 1810, rich in  Nagara style Terracota architecture. Story flows that Rani Rashmoni was vastly impressed by this temple. Dakhineswar Temple was built in its tracing this design. Our next stop will be at Nistarinii Kali Temple followed by Nabaratna Temple, which is Western faced.

No, this is not drawing of Curtain. We will visit, Harasundari Kalika Mondir,the remains of the palace of Raja Ram Chandra roy, Dewan of Bengal- Bihar –Orissa. Let us sign off by returning to the lodge,  enjoy & refresh with coffee and hot pakoda in the midst of the cool breeze of Bhagirathi.

2nd Day:- We will go to the point where Behula and Bhagirathi is meeting. Sabuj Dwip will beckon us.we will return and have our breakfast in Lodge.Our next destination is Guptipara, which was the native land of Kali mirza, Music teacher of Raja Rammohun Roy,of  the legendry rhymester Bhola Moyra, scientist Indu Madhab Mullick and the General of Nawbab Siraj u dollah, Mohanlal. First community jagadharti Puja of Bengal originated herein Bengali year 1166.

We will continue with our heritage walk. Deshkalimata Temple, followed by the Guptiparamath , an unique work of terracotta style with burnt clay base. Presiding Deity here is Brindaban chandra. Rath Yatra is the principal festival of this 400 hundred year temple.

Podium supported by multi foliate arches of Sen bati, Krishna Chandra Mandir and Chaityna dev Mandir, with all its architectural beauty will unfold one after other. We will have vegetarian lunch in Chaitnya dev temple. Nothing to be disappointed. Sevait will bid farewell by offering mouth watering delicacy of Gufo or makha sandesh.

We will close the day by visiting a lost heritage sight. In the backdrop of setting sun, at Sripur on Ganges , we will visit the carpenters working on Boats of many sizes, from here we will depart on seeing the setting off the Sun. Back to Lodge in Sukharia. Enjoy your evening.

3rd day:- we will start from sukharia, carrying the memories. On way back, we will halt at Bandel church, the oldest in Bengal built in 1599 AD.

For any query you can contact with us

Important information of Sukharia:-

Sukharia, a quaint village between Balagarh and Somra Bazar railway stations in Hooghly district, has the distinction of being the site of some of the finest temple architecture of Bengal.

The village of Sukharia is associated with the Mitra Mustafi family whose other settlements were in the villages of Ula Birnagar and Sripur. The Mitra Mustafi family is sometimes called the family of Dewans as most of the family members served in different positions in the revenue departments during the rule of the monarchy.

The Anandamoye Temple in nearby Sukharia Village is one of the finest specimens of the 25-pinnacled terracotta temples in Bengal. Founded in 1763 AD, Anandamoyee Temple houses the main temple of Anandamoyee Maa, which is surrounded by 12 smaller temples. Although the present structure of the temple was completed in 1813 AD, few terracotta panels are still in good condition. The other notable temples of Somrabazar are Harasundrai Temple built in 1814 AD and Nistarini Temple built in 1847 AD. The Siddheshwari Kalibari Temple on the banks of the Ganges may not be structurally grand as the other temples of Somra bazar but its spiritual and historical importance is immense. Rani Rashmoni was influenced with this temple and thereafter built the famous Dakshineswar Temple..

The village of Sukharia is associated with the Mitra Mustafi family whose other settlements were in the villages of Ula Birnagar and Sripur. The Mitra Mustafi family is sometimes called the family of Dewans as most of the family members served in different positions in the revenue departments during the rule of the monarchy.

A walk for about 20 minutes along the village road will take you to the Siddeshwari Kali temple. Standing under an ancient banyan tree, the temple overlooks the Hooghly, offering a grand view stretching to Sabuj Dwip (the green island), a popular picnic spot approachable from Chinsurah. The flat-roofed Siddeshwari temple, built in 1785, is considered to be the oldest in Sukharia. The temple has been reconstructed and local residents speak enthusiastically about it. But the reconstructed temple with a single-pinnacle concrete roof and cement-plastered walls and pillars have wiped out centuries of history.

Next, taking the same route towards the Ananda Bhairavi temple, the star attraction of Sukharia. The reflection of the towering temple on the adjacent lake, along with those of a number of smaller temples in the complex adds to the beauty of the place. Built in 1813 by Bireshwar Mustafi, the three-storeyed Ananda Bhairavi temple is crowned with 25 pinnacles. The four corners of the first level are crowned with three pinnacles each (3 x 4 = 12), the four corners of the second level are crowned with two pinnacles each (2 x 4 = 8), the third level comes with a pinnacle at each corner and also a central pinnacle (4 + 1 = 5).

The approach to the Ananda Bhairavi temple, housing the idol of Anandamoyee Kali, is flanked by two parallel rows containing six temples each. Five of the temples on each row are aatchalas (eight-sloped roof). One temple on each flank has a pancharatna (five-pinnacle) roof. One of the pancharatna temples is dedicated to Ganesha, while the other nine house shivalingas. The temple has undergone repeated renovation and reconstruction and in the process, lost much of its old-world charm.

Next to the Ananda Bhairavi temple lies Radha Kunja, the ancestral palace of the Mustafi family. Although in ruins, the family Durga Puja is still held there.

Next, head for the Hara Sundari temple. The main temple out here is the Navaratna styled temple of Harasundari Kali along with fourteen other  temples distributed equally in rows on each side. Of them twelve are aatchala styled Shiva temples and two pancharatna styled temples. Dewan Ramnidhi Mustafi constructed these temples in 1813 A.D.

Next to the Hara Sundari temple stands the Nistarini temple. Built in 1847 by the Mustafi family, this nabaratna edifice has dome-shaped pinnacles. The temple was once flanked by a natmandir but it has long collapsed. Four pillars are all that remains of it. It’s the same story for the Mustafi family’s thakur dalan.

Situated another few metres from Nistarini Kali temple is the oldest temple in Sukharia – the Sidhheswari Kali temple. Once the river Ganges used to flow past the temple , but currently the river has resided its course to a huge extent and what lies next to the temple are lush green field. Although it has a rich past and heritage , nothing is evident from its current condition , the reason being unplanned renovation and its flat roofed structure which is deviating from the tradition temple architecture of Bengal. Apart from this several other old Shiva temples, Ras Manchas and Dol Manchas which have turned into ruins with passing ages.

A few have been rebuilt but the modern structures lack the grace or beauty of their historic counterparts. Even then, a trip to Sukharia gives one a rare insight into the diversity and richness of Bengal’s temple architecture.

You can see next article of “DEKHO BANGLA” to click the below link

DEKHO BANGLA, BIRBHUMER SAKTIPITH ||

BOOK YOUR TRIP TO SUKHARIA

Previous articleDEKHO BANGLA, PURULIA ||
Next articleBAGHROL BASA

Related Stories

Discover

DEKHO BANGLA,DEULTI

  Deulti-An Off Kolkata Relaxing Destination With the magnificent Rup Narayan River close by, Deulti is...

DEKHO BANGLA,JHARGRAM

Weekend Escape To Jhargram Canonized with some of the most fetching beauties – Jhargram is...

DEKHO BANGLA,BUNGKULUNG

  Bungkulung, An Unexplored Paradise Near Mirik Bungkulung is an offbeat tourist destination in North Bengal....

Tour Updates

আগের পোস্টেই জানিয়েছিলাম, খুব শিগগিরই আপনাদের নিয়ে যাবো হুগলির এক মন্দির সফরে। হ্যাঁ ভাই,দিনক্ষণ...

DEKHO BANGLA,DAWAIPANI

An enjoyable weekend trip in Dawaipani Dawaipani  On the way to the popular tourist spot Darjeeling,...

Popular Categories

Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here